Daily Bangladesh
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. তথ্যপ্রযুক্তি
  6. পাঠক মতামত
  7. ফিচার
  8. বিজ্ঞান ও গবেষণা
  9. বিনোদন
  10. ব্যবসা ও বানিজ্য
  11. রাজনীতি
  12. লাইফস্টাইল
  13. শিক্ষা
  14. সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  15. স্থানীয় সংবাদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকা চট্টগ্রামে তীব্র ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার

Link Copied!

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় আজ শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) ভোরের দিকে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, কক্সবাজার সহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে অপেক্ষাকৃত তীব্রভাবে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-এর পরিমাপ অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। অপরদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি ছিল ৫ দশমিক ৮ মাত্রার।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, আজ ভোর ৫টা ৪৫ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডে ভূকম্পনটি অনুভূত হয়।

মমিনুল ইসলাম জানান, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি স্থল মিয়ানমার-ভারত সীমান্তে। এটি ঢাকা থেকে ৩৪৮ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। কেন্দ্র ভূমির ৩২ কিলোমিটার গভীরে।

ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের চিন রাজ্যের রাজধানী হাখা শহরের ২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে।

ভারতের মিজোরাম রাজ্যের কয়েকটি শহরেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএসজিএস। তবে ভূমিকম্পের ফলে দেশের কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

পৃথিবীর উপরিভাগের ৭০-১০০ কিলোমিটার পুরুত্বের লিথোস্ফিয়ার ছোট-বড় ১৩টি খণ্ডে (প্লেটে) বিভক্ত। উত্তপ্ত ও নরম এস্থোনোস্ফিয়ারের উপর ভাসমান এ প্লেটগুলো গতিশীল। প্লেটগুলো গতিশীল থাকায় ভূখণ্ড ধীরে ধীরে সরতে থাকে, যেটাকে ‘অ্যাকটিভ ফল্ট’ বা সক্রিয় চ্যুতি বলা হয়। প্লেটের স্থানচ্যুতির সময় জমে থাকা শক্তি বিপুল বেরিয়ে আসে, তখন সংযোগস্থলে ভূকম্পন হয়।

বাংলাদেশের উত্তরে ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংযোগস্থল; পূর্বে বার্মিজ প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেটের সংযোগস্থল। এছাড়া বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূল বরাবর বঙ্গোপসাগরের একটি বিশাল ‘সাবডাকশন জোন’ রয়েছে।

সমুদ্র তলদেশে যেখানে দুটি টেকটনিক প্লেট মুখোমুখি অবস্থানে থাকে এবং প্লেট দুটো পরস্পরের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে, সেটাকে বলে ‘সাবডাকশন জোন’। এমন অবস্থায় একটি টেকটনিক প্লেট আরেকটির নিচে চলে গেলে সৃষ্টি হয় ভূমিকম্প।