Daily Bangladesh
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. তথ্যপ্রযুক্তি
  6. পাঠক মতামত
  7. ফিচার
  8. বিজ্ঞান ও গবেষণা
  9. বিনোদন
  10. ব্যবসা ও বানিজ্য
  11. রাজনীতি
  12. লাইফস্টাইল
  13. শিক্ষা
  14. সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  15. স্থানীয় সংবাদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাশিম আমলাকে মদ পান করানোর চেষ্টা

Link Copied!

বর্ণবাদের অভিযোগে ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে এখন তোলপাড়। এশিয়ান ক্রিকেটার কিংবা ভিনদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণ করা হয়, এই অভিযোগে প্রথম মুখ খুলেছিলেন আজিম রফিক। এবার গুরুতর অভিযোগ নিয়ে হাজির হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক পেসার টিনো বেস্ট।

স্কাই স্পোর্টসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বেস্ট দাবি করেন, হাশিম আমলার মত ধর্মপ্রাণ মুসলিমকেও মদ পান করানোর জন্য জোর-জবরদস্তি করা হয়েছে কাউন্টিতে। টিনো বেস্টের এই অভিযোগের পর বিতর্কের কেন্দ্রিবিন্দুতে চলে এসেছে পুরো ইংলিশ ক্রিকেট।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক হাশিম আমলা মদ পান তো দূরে থাক, নিজের জার্সিতে মদ প্রস্তুতকারী সংস্থার লোগো পর্যন্ত রাখতেন না কখনো। এ জন্য অনেক জরিমানার মুখোমুখিও হতে হয়েছে তাকে।

মুসলিম ক্রিকেটার আজিম রফিক বর্ণবাদের অভিযোগ তোলার পর কাউন্টি ক্রিকেট দল ইয়র্কশায়ার থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে, কাউন্টি ক্লাবের অনেক স্পন্সরও সরে গেছে। এবার আবারও বড় বিতর্ক নিয়ে হাজির হলেন টিনো বেস্ট।

সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান পেসার টিনো বেস্ট ইয়র্কশায়ারের হয়ে ২০১০ মৌসুমে খেলেছিলেন। তার মতে কাউন্টি দলগুলিতে অত্যাধিক পরিমাণে মদ্যপান করা শেতাঙ্গ ক্রিকেটার রয়েছে। যারা এশিয়ান ঘরানার খেলোয়াড়দের সঙ্গে বর্ণবাদী এবং বাজে আচরণ করে।

দক্ষিণ আফ্রিকান হাশিম আমলার সঙ্গে ঘটা এক ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন ব্যক্তি যে হাশিম আমলার টেবিলেই বসেছিল, সে আমলাকে প্রায় তিন-চার ঘণ্টা ধরে মদ্যপান করার জন্য জোরাজুরি করছিল। মিনিটে মিনিটে একবার এটা একবার ওটা পান করতে বলছিল। হাশিম খুবই ভাল মানুষ এবং শান্ত গলায় তিনি জানান যে তিনি মদ্যপান করেন না। তা সত্ত্বেও হাশিমকে জোর করা হলে আমি অবশেষে বাধ্য হয়ে ওই ব্যক্তিকে থামতে বলি।’

হাশিম আমলা কঠোরভাবে ধর্মপ্রাণ মুসলিন। মদ পান করা তো দূর, মদ প্রস্তুতকারক কোম্পানির লোগো পর্যন্ত নিজের জার্সিতে ধারণ করেন না।

শুধু যে আমলার সঙ্গে এমনটা হয়েছে তা নয়, বেস্ট জানান কাউন্টি ক্রিকেটে সংস্কৃতিটাই এমন, ‘এখানে ক্রিকেটের পাশাপাশি সংস্কৃতিই হল মদ্যপান করা এবং এটা বিশাল বড় একটা সমস্যা। ক্লাবে গিয়ে আট, নয়টা বোতল মদ খাওয়ার জন্য কাউকেই জোর করা অনুচিত। এই সংস্কৃতি যদি কেউ না মানত, তাহলে তারা বয়েজ ক্লাবের সদস্যও হতে পারত না এবং দলে সুযোগও পেত না। এটা কৃষ্ণাঙ্গ এবং এশিয়ান ধারার ক্রিকেটারদের প্রভূত ক্ষতি করছে-’ যোগ করেন তিনি।

ইয়র্কশায়ারের কথা বলতে গিয়ে বেস্ট জানান দলের ক্রিকেটারদের যে ভঙ্গিমায় কৃষ্ণাঙ্গ এবং এশিয়ান ঘরানার ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলত তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ‘আমি কৃষ্ণাঙ্গ হওয়ায় সবসময় ওদের পাশে থাকার চেষ্টা করতাম। ওরা ২০১০ সালের দিকে যেসব ভাষায় কখা বলত, তা ভাবাও যায় না’- দাবি বেস্টের।